ঢাকা ০৩ এপ্রিল ২০২৫ , ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

​আফগানিস্তানের শিরোপা জেতা নিয়ে স্টেইনের ভবিষ্যদ্বাণী

নতুন দেশ ডেস্ক
আপলোড সময় : ০২-০৩-২০২৫ ০২:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন
​আফগানিস্তানের শিরোপা জেতা নিয়ে স্টেইনের ভবিষ্যদ্বাণী

আরও একটি চমকপ্রদ পারফরম্যান্স আফগানিস্তানের। ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েছে লাহোরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে। যদিও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে পারেনি। কারণ তারা প্রথম ম্যাচ হেরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয় বৃষ্টির কারণে। তবে আরেকটি মঞ্চে রোমাঞ্চ জাগিয়ে তারা এখন শক্তিধর এক দল আত্মপ্রকাশ করেছে। তাই তো ডেল স্টেইনের ভব্যিষদ্বাণী, ‘আফগানিস্তান দল আগামী দশকে আইসিসি টুর্নামেন্ট জিতবে।’

তবে বড় ট্রফি জিততে ধৈর্যশীল হওয়া শিখতে হবে আফগানদের- এমনটা বোঝাতে স্টেইন তার বক্তব্য শুরু করেন এভাবে, ‘আগেকার দিনে, অনেক খেলোয়াড় কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে যেত। অথবা তারা তাদের দক্ষতা বাড়াতে এবং ধৈর্য বাড়াতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে যেত। আমার মনে হয় আমরা এখন এমন একসময়ে বাস করছি যেখানে মানুষ যথেষ্ট ধৈর্যশীল নয়। আমার ইনস্টাগ্রামের পোস্টের ভিডিও দুই সেকেন্ডও দেখতে চাই না। আফগান ক্রিকেটাররা তাদের ক্রিকেট ঠিক একইরকম খেলছে।’

সাবেক প্রোটিয়া পেসার স্টেইন আরও বলেন, ‘তারা (আফগানিস্তান) চায় সবটুকু এত দ্রুত ঘটুক। এই বলটা নিশ্চয়ই উইকেট হবে, তাদের উইকেট নেওয়ার ধৈর্য নেই। আর মাঝে মাঝে, ব্যাটাররাও একই রকম থাকে। প্রথম ওভারেই তাদের ক্রিজে খুব বেশি মুভমেন্ট, ছক্কা মারার চেষ্টা করে। তাদের অনেকেই বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে, যা দুর্দান্ত। এটি তাদের পকেটের জন্যও এবং শেখার জন্য দারুণ কিছু। তারা চার দিনের খেলায় কিছু সময় ব্যয় করতে পারে। কারণ একদিনের ক্রিকেট মূলত টেস্ট ম্যাচের একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ। এর কিছু মুহূর্ত রয়েছে যেখানে টি-টোয়েন্টি প্রয়োগ করা হয়। তবে ধৈর্য হলো আফগানিস্তানের ক্রিকেটারদের শেখার সবচেয়ে বড় জিনিসগুলোর মধ্যে একটি। একবার যদি তারা তা অর্জন করে, সত্যি বলতে, পরের দশকে তারা অবশ্যই আইসিসি টুর্নামেন্ট জিততে পারবে।’

আফগানিস্তানের প্রশংসা করেছেন ওয়াসিম জাফরও। সাবেক এই ভারতীয় ক্রিকেটারও স্টেইনের সুরে সুর মিলিয়ে আফগানদের ধৈর্যশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, বিশেষ করে ব্যাটারদের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইব্রাহিম জাদরানের ১৭৭ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেছিলেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেদিকুল্লাহ অটল ৮৫ রানের ইনিংসকে বড় স্কোরে রূপান্তর করতে পারেননি। তাদের শীর্ষ তিন ব্যাটার এক ম্যাচেও সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধে দেওয়াল গড়তে পারেননি এবং সেরা ব্যাটার রহমানউল্লাহ গুরবাজ তিন ম্যাচে করেছেন মাত্র ১৬ রান।

ওয়াসিম জাফর বলেন, ‘আফগানিস্তান উন্নতি করছে। তাদের প্রশংসা করতে হবে কারণ তারা (২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে) সেমিফাইনাল খেলেছে, তারা ভালো দলকে হারিয়েছে এবং যখন তারা কাউকে হারায় তখন সেটা আর আপসেট বলা যায় না। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুরুতে তারা হতাশ করেছিল দলকে। এত ছোট টুর্নামেন্টে খুব ভালো শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ খুব বেশি সুযোগ পাওয়া যায় না। একটা হেরে গেলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে পারেন, যা এখানে ঘটেছে। তাদের ব্যাটিংয়ে উন্নতি করতে হবে। ধারাবাহিক হতে হবে।’


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ